অক:- 
অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ,ঋ,ঋৃ 
This 10 letters are known as অক্ by ancient grammarian, also known as সমান. 
In the হরিনামামৃত ব্যাকরণ this first ten বর্ণs of the alphabet are known as দশাবতার
অক= অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ,ঋ,ঋৃ 
এই দশটি বর্ণ কে প্রাচীন বৈয়াকরনিক গন অক্ বলেন। এর অপর সংজ্ঞা সমান। হরিনামামৃত ব্যাকরণে এই দশটি বর্ণ কে দশাবতার বলা হয়েছে। 
হরিনামামৃত ব্যাকরণে ৩য় সূত্র 

অকৃপা:- cruelty, “নির্দ্দয়ত্বম" নীলকন্ঠ মহাভারত উদ্যোগপর্ব ৪৩/১৬
অকৃপা:- নির্দয়তা,
“নির্দ্দয়ত্বম" নীলকন্ঠ মহাভারত উদ্যোগপর্ব ৪৩/১৬

অগ্রদাস:- He was a great vaishnav acharya in the disciplic succession of বল্লভাচার্য্য. He was the spiritual master of king মানসিংহ. 
king মানসিংহ was the disciple of রঘুনাথ ভট্ট গোস্বামী, one of the Six goswamis, a prominent acharya of গৌড়ীয় সম্প্রদায়. There was one disciple of বল্লভাচার্য্য named কৃষ্ণদাস.  He has two disciples অগ্রদাস and কিল. One day they went to the forest for bring woods. There they saw one orphan blind child. They brings water from a nearby river, and washes the eyes of the child. By the grace of guru the child gains visuality. They bring the child in the hermitage. There the child got food remenants from great vaishnavs. And by their mercy he became a great vaishnav. He is renowned by the name নাভাদাস. The ভক্তমাল written by him is like the necklace of devotees. 
One day the devotee অগ্রদাস was absorbed in the worshiping of his ইষ্টদেব Lord রামচন্দ্র. And নাভাদাস was doing চামর সেবা. At that time the boat of one of the businessman disciple of অগ্রদাস was stucked in the mud. The spiritual master was trying to help him. Suddenly নাভাদাস shouted “the boat is free". The Guru অগ্রদাস then allowed him  to write the ভক্তমাল  understanding the glories of his disciple. 

অগ্রদাস:- বল্লভাচার্য্য সম্প্রদায়ভুক্ত জনৈক বৈষ্ণবাচার্য্য। তিনি মহারাজ মানসিংহের গুরু ছিলেন। মতান্তরে গৌড়ীয় সম্প্রদায়াচার্য্য ষড়গোস্বামী গণের অন্যতম রঘুনাথ ভট্ট গোস্বামী মহারাজ মানসিংহের গুরু ছিলেন। বল্লভাচার্য্যের শিষ্য কৃষ্ণদাস তার দুই শিষ্য অগ্রদাস ও কিল। একবার তারা দুইজন বনে কাষ্ঠ আহরণ করতে গেছিল, সেখানে মাতৃ পিতৃ হীন জঙ্গলে পরিত্যাক্ত এক শিশুকে দেখতে পান। অগ্রদাস ও কিলের হাতে নির্মল জল দ্বারা সেই শিশুর চক্ষুদ্বয় ধৌত হলে সেই শিশু দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। গুরুর আদেশক্রমে‌ সেই শিশুকে তারা নিজেদের আশ্রমে নিয়ে এসে লালনপালন করেন। আশ্রমে বৈষ্ণব গণের উচ্ছিষ্ট লাভ করে অচিরেই সেই বালক বৈষ্ণব সংস্কার সম্পন্ন হয়ে উঠল। এই বালক ই নাভাদাস নামে পরিচিত‌, তার রচিত ভক্তমাল গ্রন্থ ভারতবর্ষে সুপ্রসিদ্ধ ও বৈষ্ণবগনের কন্ঠভূষণ। 
একদিন গুরু অগ্রদাস রামপূজায় নিমগ্ন হয়ে রয়েছেন। শিষ্য নাভাদাস গুরুদেবের চামর ব্যাজন করছেন, এমন সময় অগ্রদাসের এক বনিক শিষ্যের নৌকা চড়ায় আটকে গেছে, গুরুর মালাও অচল হয়ে গেছে। তখন নাভাদাসজী হঠাৎ নৌকা চলেছে বলে চিৎকার করে ওঠায় শিষ্যের মাহাত্ম্য বুঝতে পেরে অগ্রদাস তাকে ভক্তমাল রচনা করার অনুমতি দেন। 

অঘোষ:- ক,খ,চ,ছ,ট,ঠ,ত,থ,প,ফ and শ,ষ,স this thirteen letters are known as অঘোষ or খস বর্ণ by ancient grammarian 
অঘোষ:- প্রাচীন বৈয়াকরনিক গন ক,খ,চ,ছ,ট,ঠ,ত,থ,প,ফ এবং শ,ষ,স এই ১৩টি বর্ণকে অঘোষ বা খস বর্ণ বলেছেন। হরিনামামৃত ব্যাকরণে এদের যাদব বলা হয়েছে। দ্বাত্রিংশ সূত্র “যাদবা অন্যে। গোপালেভ্যোহন্যে বিষ্ণুজনা যাদবনামানঃ। এতে অঘোষাঃ খসশ্চ”। 
অঘোষ:- 
হরিনামামৃত ব্যাকরণ Verse 29 
All বিষ্ণুজনs other than গোপালs are called যাদব. Verse 29 


অচ:- অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ,ঋ,ঋৃ, এ, ঐ, ও, ঔ এই ১৪টি বর্ণ প্রাচীন বৈয়াকরণিকদের মতে অচ্ নামে প্রসিদ্ধ। এদের স্বরবর্ণ বলে। এরা অন্য বর্ণের সাহায্য ছাড়া স্বতন্ত্রোচ্চারিত হয় বলে হরিনামামৃত ব্যাকরণে এগুলিকে সর্বেশ্বর বলা হয়েছে। 
হরিনামামৃত ব্যাকরণে ২য় সূত্র “তত্রাদৌ চতুর্দশ সর্বেশ্বরাঃ" 

অচ্যুতপ্রেক্ষ:- ইনি শ্রী মধ্বাচার্য্যের গুরু। তার অপরনাম পুরুষোত্তম তীর্থ। সৎকথা নামক কন্নড় ভাষায় রচিত একটি গ্রন্থ থেকে উড়ুপী মঠের গুরু পরম্পরা পাওয়া যায়। 
ভীমরাও স্বামীরাও নামক কামলাপুর নিবাসী এক ব্যাক্তি গ্রন্থটির রচয়িতা। 
১৩১১ বঙ্গাব্দে উড়ুপি পরিক্রমার সময় গ্রন্থটি শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর সংগ্রহ করেন। 
গুরু পরম্পরা টি এই রূপ:- 
১) হংস পরমাত্মা ২) চতুর্মুখ ব্রহ্মা ৩) সনকাদি ৪) দুর্বাসা ঋষি ৫) জ্ঞাননিধি ৬) গরুড়বাহন ৭) কৈবল্যতীর্থ ৮) জ্ঞানেশ তীর্থ ৯) পরতীর্থ ১০) সত্যপ্রজ্ঞ তীর্থ ১১) প্রাজ্ঞ তীর্থ ১২) অচ্যুতপ্রেক্ষ তীর্থ ১৩) মধ্বাচার্য্য(১০৪০ শকাব্দ)। 
আচার্য্য অচ্যুতপ্রেক্ষ মায়াবাদী সম্প্রদায়ে দীক্ষা নিয়েছিলেন। 
শৃঙ্গেরী মঠের আত্মানন্দ রচিত গুরুপরম্পরা স্তোত্রে আছে 
১) শঙ্করাচার্য্য ২) পদ্মপাদ ৩) জ্ঞানানন্দ ৪) বিজ্ঞানতীর্থ ৫) যোগানন্দ ৬) নিরঞ্জন মৌনী ৭) ব্রহ্মেন্দ্র নায়ক ৮) সত্যব্রত ৯) যতিরত্ন ১০) চিদানন্দ ১১) সচ্চিদানন্দ ১২) শঙ্কর ১৩) পদ্মপাদ ১৪) অচ্যুতপ্রেক্ষ, যাদবপ্রকাশ ও বিদ্যারণ্য 
এই অচ্যুতপ্রেক্ষই যে মাধ্বাচার্য্যের গুরু তা ও তিনি বলেছেন। 
অচ্যূতপ্রেক্ষ নাম্নস্তু শিষ্যো মধ্বাভিধো যতিঃ।
তেনৈব ভেদসিদ্ধান্ত স্থাপিতো গুর্ব্বসম্মত।।
কিন্তু আত্মানন্দের উল্লিখিত পরম্পরা ত্রুটি যুক্ত। কারন যাদবপ্রকাশ ছিলেন রামানুজাচার্য্যের গুরু। অচ্যুতপ্রেক্ষের সপ্তম অধস্তন জয়তীর্থ রামানুজের পঞ্চম অধস্তন বেদান্তদেশিকাচার্য্যের সমসাময়িক ছিলেন। 
যাদবপ্রকাশের সময়কাল দশম শতাব্দী, অচ্যূতপ্রেক্ষের সময়কাল একাদশ শতাব্দী, বিদ্যারণ্য মুনীশ্বরের সময়কাল ত্রয়োদশ শতাব্দী। 
মধ্বাচার্য্য উড়ুপী গ্রামের মঠাচার্য্য অচ্যুতপ্রেক্ষ তীর্থের কাছে বিদ্যাভ্যাস করে স্মার্ত ও পরমার্থ ধর্মের  পার্থক্য বুঝতে পারেন। তার সঙ্গক্রমে বালক বাসুদেব (পরবর্তী কালে মাধ্বাচার্য্য) বুঝতে পারেন পিতা মাতার অভিলষিত গৃহস্থাশ্রম গ্রহণ ধর্মপথের অন্তরায়। তাই বারো বছর বয়সে তিনি অচ্যুতপ্রেক্ষ তীর্থের কাছে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। তার নাম হয় আনন্দতীর্থ। পরে তিনি গুরুর অনুমতি নিয়ে বদরিকাশ্রমে ব্যাসদেবের সাথে সাক্ষাত লাভ করেন। ব্যাসদেবের থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে তিনি ব্রহ্মসূত্রের ভাষ্য রচনা করেন। 
অচ্যূতপ্রেক্ষের অন্য শিষ্য, মাধ্বাচার্য্যের সতীর্থ বিষ্ণু তীর্থ। তিনি গুরুর গদিতে আসীন হয়েছিলেন। 

অধিকরণ চিন্তামণি:- এই গ্রন্থে বৈদিক দেবতা কান্ডের তালিকা রয়েছে। 

অন্:- অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ, এই ছয়টি স্বরবর্ণকে প্রাচীন বৈয়াকরণিক গন অন্ বলেন। হরিনামামৃত ব্যাকরণে এই ছয়টি স্বরবর্ণের সংজ্ঞা অনন্ত। হরিনামামৃত ব্যাকরণে ১০ম সূত্র “অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ অনন্তাঃ" আনশ্চ। 

অনঙ্গমঞ্জরী:- ইনি শ্রী রাধারানীর ছোটো ভগ্নি।পিতা মহারাজ বৃষভানু , মাতার নাম কীর্তিদা, ভ্রাতা শ্রীদাম। তাঁর স্বামী অভিমন্যুর কনিষ্ঠ ভ্রাতা দুর্ম্মদ। 
তার বর্ণ- অতীব মনোহর বসন্তের কেতকী পুষ্প সদৃশ। বস্ত্র- নীলপদ্ম সদৃশ। সেবা- রাধাকৃষ্ণ যুগলকে তাম্বুল অর্পণ। মতান্তরে তার সেবা বেশ। (পালী কুসুমশয্যায়াং বেশে চানঙ্গমঞ্জরী) কুঞ্জ:- অনঙ্গাম্বুজ কুঞ্জ। বয়স:-১২ বছর। তিনি চপলভাষিনী, ও অষ্টসখী সদৃশ ‘বর' নামক যূথান্তর্গত। তার অধীনস্থ যূথদ্বয়ের অধীশ্বরী লবঙ্গমঞ্জরী ও রূপমঞ্জরী। 
কৃষ্ণগণোদ্দেশ দীপিকায় 
বসন্তকেতকী কান্তি মঞ্জুলানঙ্গমঞ্জরী।
যথার্থাক্ষরনামেয়মিন্দীবরনিভাম্বরা।। ১২১
দুর্ম্মদো মদবানস্যাঃ পতির্যো দেবরঃ স্বসুঃ।
প্রিয়াসৌ ললিতাদেব্যা বিশাখায়া বিশেষতঃ।। ১২২


বৃষভানু পিতা তস্য মাতা চ কীর্ত্তিদা সতী।
রাধানঙ্গমঞ্জরী চ কনিষ্ঠা ভগিনী ভবেৎ।। ৩৯

অনঙ্গমঞ্জরীং বন্দে শ্রীকৃষ্ণপ্রিয়কারিণীং।
শৃঙ্গাররসরূপাঞ্চ দ্বয়োঃ কেলিপ্রমোদিনীং।
নীলতারাবলীবস্ত্রাং দুগ্ধালক্তসমপ্রভাং।
শৃঙ্গাররসমর্মজ্ঞাং দ্বয়োঃ কেলিপ্রমোদিতাং।
নানাভরণভূষাঢ্যাং মৃদুমন্দমধুস্মিতাং।
তাম্বুলসেবিকাং দেবীং প্রৌঢ়াং সুযৌবনান্বিতাম্।
অনঙ্গাম্বুজকুঞ্জস্থামনঙ্গমঞ্জরীং ভজে।।

শ্রী নিত্যানন্দ প্রভু সখ্যরসে কৃষ্ণ জ্যোষ্ঠ বলরাম। মধুররসে তিনিই অনঙ্গমঞ্জরী।
মতান্তরে গৌরলীলায় জাহ্নবাদেবীকে অনঙ্গমঞ্জরী বলা হয়। গৌর গণোদ্দেশ দীপিকায়  কেচিৎ শ্রীবসুধা দেবীং কলাবপি বিবৃণ্বতে। অনঙ্গমঞ্জরীং কেচিৎ জাহ্নবীঞ্চ প্রচক্ষতে।। ৩৬ উভয়ন্তু সমীচীনং পর্ব্বং ন্যায়াৎ সতাং মতম্।
যাকে সন্ধিনী শক্তির মূর্তি বলে তিনি শ্রী অনঙ্গমঞ্জরী।

অনন্ত:- হরিনামামৃত ব্যাকরণে অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ এই 
ছয় বর্ণ কে অনন্ত বলা হয়েছে। ১০ম সূত্র অ,আ,ই,ঈ,উ,ঊ অনন্তাঃ। প্রাচীন বৈয়াকরনিক গন এই ছয় বর্ণ কে অন্ আখ্যা দিয়েছেন। 

অনাবরণ:- মুক্ত, প্রকাশিত। 
অন্যাভিলাষিতাশূণ্যং জ্ঞানকর্মাদ্যনাবৃতম্।
আনুকূল্যেন কৃষ্ণানুশীলনং ভক্তিরুত্তমা।।
জ্ঞান ও কর্ম 
কর্ম ও জ্ঞানের অধীনতার আবরণ থেকে মুক্ত হলে উত্তমা ভক্তি লাভের যোগ্যতা হয়। 

জ্ঞান কর্মবিচারে যে যোগ্যতা স্থির হয় ঐ যোগ্যতা দ্বারা আবৃত হয়ে মনুষ্য অনুকূলভাবেকৃষ্ণচর্চা করলেও উত্তমা ভক্তি লাভের যোগ্যতা হয়না। 
কর্ম জ্ঞানের অধীনতার আবরণ মুক্ত হলে উত্তমা ভক্তি লাভের যোগ্যতা হয়। 

অনুনাসিক:- ঁ চন্দ্রবিন্দুকে ব্যাকরণবিদ গন অনুনাসিক বলেন।‌ নাসিকা থেকে উৎপন্ন হয় বলে চন্দ্রবিন্দুর এই প্রকার সংজ্ঞা। হরিনামামৃত ব্যাকরণে একে বিষ্ণুচাপ বলা হয়েছে। ১৫ সূত্র “অঁ ইতি বিষ্ণুচাপঃ" অর্দ্ধচন্দ্রাকৃতি বর্ণো বিষ্ণুচাপনামা। আনুনাসিকশ্চ নাসিকা ভবোহয়ং। সানুনাসিকস্তু মুখনাসিকাভবঃ। 

অনুস্বার:- ং একে ব্যাকরণবিদ গন অনুস্বার বলে থাকেন। অপর নাম বিন্দু ও লব। 
হরিনামামৃত ব্যাকরণে একে বিষ্ণুচক্র বলা হয়েছে। ১৪ সূত্র অং ইতি বিষ্ণুচক্রম্। অকার উচ্চারণার্থঃ। বিন্দুস্বরূপো বর্ণো বিষ্ণুচক্রনামা। অনুস্বারো বিন্দুর্লবশ্চ। 

অন্তস্থবর্ণ:- য,র,ল,ব এই চারটি বর্ণকে ব্যাকরণবিদগন অন্তস্থবর্ণ বা যল্ নামে অভিহিত করেন। হরিনামামৃত ব্যাকরণে তাদের হরিমিত্র বলা হয়। ২৭ সূত্র “য,র,ল,বা হরিমিত্রাণি" “অন্তস্থা" “যলশ্চ"  “এতে স বিষ্ণুচাপা নির্বিষ্ণুচাপাশ্চ" চন্দ্রবিন্দু যুক্ত ও চন্দ্রবিন্দুহীন অন্তস্থ বর্ণ।